কৃষাণ মান্ডিতে অতিরিক্ত ধলতা নেওয়ার অভিযোগ

TodayPostNovember , 20211min790

[ad_1]

নিজস্ব প্রতিনিধি, উত্তর দিনাজপুর – সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করেই ধান চাষিদের কাছ থেকে থেকে ৭ কেজি থেকে ৮কেজি পর্যন্ত ধলতা নেওয়ার অভিযোগ উঠছে রায়গঞ্জ ব্লকের উদয়পুর কিষাণমান্ডিতে।

চলতি মাসের ১ লা নভেম্বরের বদলে ২৬ নভেম্বর থেকে রাজ্য সরকারের তরফে জেলার বিভিন্ন কিষাণন্ডিতে সহায়ক মূল্যে চাষিদের থেকে ধান ক্রয় করা শুরু করা হয়েছে। এ দিন বেশি দাম পাওয়ার আশায় ধান বিক্রি করতে রায়গঞ্জ ব্লকের উদয়পুর কিষাণমান্ডিতে আসেন চাষিরা।

চাষিদের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের কড়া নির্দেশিকা উপেক্ষা করে নিম্নমানের ধানের অজুহাত দেখিয়ে কুইন্টাল প্রতি ৭ কেজি থেকে ৮ কেজি পর্যন্ত ধলতা নিচ্ছে কৃষি বিপনন দফতরের কর্মীরা। ফলে লাভের বদলে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে চাষিদের।

রায়গঞ্জ ব্লকের উদয়পুর কিষাণমান্ডিতে ধান বিক্রি করতে আসা কৃষক মকবুল সরকার বলেন,“বাজারের চেয়ে এখানে ধান বিক্রি করায় মূল্য বেশি পাওয়ায় এখানে আমরা আসি। কিন্তু ৭ থেকে ৮ কেজি বাড়তি ধান নিয়ে নিচ্ছে এখানে।ভালো ধান থাকলেও ৬ কেজি ধলতা নিচ্ছে। এই ধলতা দেওয়ায় আমাদের কোনো লাভ হচ্ছে না। এছাড়াও এখানে কার্ড তৈরি করে হয়রানি হতে হয়েছে আমাদের।”

জেলা খাদ্য নিয়ামক সুব্রত নন্দী বলেন, “ধানের মান বিচার করার জন্য কৃষক ও রাইস মিলের মালিকদের নিয়ে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। সেখানে ধানের মান দেখে ধান নেওয়া হবে। ভালো ধান থাকলে সেক্ষেত্রে ধলতা নেওয়ার কোনো ব্যাপার নেই। কিন্তু ধান বিক্রির ক্ষেত্রে কোন যদি কৃষকদের অভিযোগ থাকে তাহলে সেটা আমাদের জানালে অবশ্যই খতিয়ে দেখবো।”

বিজেপি এই বাড়তি ধান বা ধলতা নেওয়ার তীব্র নিন্দা করে বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার বলেন, “ভোটের আগে তৃণমূল সারা রাজ্যে খেলা হবে বলে ডাক দিয়েছিল। ভোট হবার পর সেই খেলার নজির সমস্ত জায়গায় দেখছি। একজন কৃষকের কাছ থেকে যে বাড়তি ধান নেওয়া হচ্ছে আর সেটা তৃণমূল আশ্রিত ব্যবসায়ীদের এবং তৃণমূল নেতাদের পকেটে যাচ্ছে, এই  ধান কেনার নাম করে পুরো কাটমানিটা। আমরা এর পুরো তীব্র নিন্দা করছি। কৃষকদের নিয়ে এভাবে লুট করা বা খেলা করা আমরা পুরো বিরোধিতা করছি।”

 

[ad_2]